Posts

Showing posts from May, 2019

সিরুলী মহাবীর মন্দির, চন্দনপুর, পুরী

Image
সিরুলী মহাবীর মন্দির, চন্দনপুর , পুরী। মন্দিরটি পুরী থেকে প্রায় ৩৩ কি মি দূরে। কথিত আছে হনুমান মহাপ্রভু যখন সীতা মাকে মাটির তলা দিয়ে লুকিয়ে দেখতে যাচ্ছিলেন, তখন এক চাষী মাঠে মাটি কুপাচছিল ও লাঙ্গলটা মহাপ্রভুর লেজে আঘাত লাগে এবং রক্ত বেরোতে শুরু করে। এই দেখে চাষী ভয় পেয়ে যায় এবং সেই রাতে তাকে স্বপ্ন দেয় ও মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে বলে। আজো সেই লেজ মাটির তলা দিয়ে সিরুলী থেকে পুরী পর্যন্ত আছে। একটি মাত্র কালো ক্লোরাইট পাথর খোদাই করে ‌ ১০ ফুট উঁচু দারানো এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। বাঁ হাতে রয়েছে ছোটো ধারালো অস্ত্র আর ডান হাতে রয়েছে গন্ধমাদন পর্বত।  বাঁ চোখ মন্দিরের এক ফুটো দিয়ে তাকিয়ে রয়েছে পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরের দিকে আর ডান ‌চোখ রয়েছে রাবনের দেশ শ্রীলঙ্কার দিকে। মুরাসুরা দৈত্যের সংহাররুপী ভঙ্গিমায়  বীর হনুমান যেন দাঁড়িয়ে রয়েছে। মূর্তির পিছনে রয়েছেন মা অঞ্জনা আর মাথায় মহাদেব। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী হনুমানকে ব্রহ্মচারী বলে মানা হয়। তাই স্ত্রী লোকেরা হনুমানকে পর্শ করে না। কিন্তু এখানে মা অঞ্জনা সাথে থাকায় সকলেই তাকে পর্শ করতে পারে। মন্দিরটি দখিনমুখী। লে...

উত্তরাখণ্ডের কালীমঠ, মা কালীর মন্দির।

Image
উত্তরাখণ্ডের কালীমঠ গ্রাম। মা কালীর মন্দির। সরস্বতী নদীর তীরে এটি অবস্থিত। সরস্বতী নদী এখানে দৃশ্যমান যার উৎপত্তি কেদারনাথের মন্দাকিনী থেকে। ভারতের ১০৮ শক্তিপীঠের মধ্যে এটি একটি।৬০০০ ফুট উঁচুতে কেদারনাথ পর্বতের শৃঙ্গ দ্বারা বেষ্টিত। কথিত আছে দেবী রক্তবীজ দৈত্যকে সঙগহারের পর এখানে মাটির নিচে প্রবেশ করে যান। তাই দেবী এখানে নিরাকার। দেবীর নিম্নাঙশ এখানে আর উপারাঙশ শ্রীনগরের কাছে ধারা দেবীর মন্দিরে পূজিত হন। এটি ভারতের একমাত্র স্থান যেখানে মা কালী,  লক্ষ্মী ও সরস্বতীর সাথে একসাথে পূজিত হন। সারা বছর ভক্ত সমাগম হলেও বিশেষকরে নবরাত্রির সময় প্রবল ভীর হয়। স্থানীয় লোকের কাছে কেদারনাথ যেমন মহাদেবের স্থান, তেমনই এটি সতীর স্থান। এটি রুদ্রপ্রয়াগ থেকে ৪৯ কি মি, উখিমঠ থেকে ২০ কি মি আর ঋষিকেশ থেকে ১৮৭ কি মি।

কৌডিয়ালা, উত্তরাখণ্ড

Image
কৌডিয়ালা, উত্তরাখন্ড। প্রায় ৬০ কিমি, হরিদ্বার থেকে। শান্ত নিস্তব্ধ এক জনপদ। ঠিক গঙ্গার উপরেই রয়েছে G M V N এর বিলাসবহুল গেস্ট হাউস। শান্তিতে পাহাড়ী গঙ্গার স্রোতের আওয়াজ আর পাখির কলরব শুনতে শুনতে দুদিন খুব আরামে কাটানোর এক ঠিকানা।

শৈলশহর মাথেরান, মহারাষ্ট্র।

Image
মাথেরান হিল ষ্টেশন, মহারাষ্ট্র। সহ্যাদ্রী পহাড় শ্রেনীর সবুজের নানা শেডে মোড়া এই মাথেরান। দুধ-সাদা মেঘের দল কেউ ভাসছে, কেউবা শুয়ে আলসামি ভাঙছে, কেউবা রূপ গন্ধ পাল্টাচ্ছে প্রতি নিয়ত। মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় কারজাত তফসিলে পশ্চিম ঘাট পর্বত মালায় এটি অবস্থিত। সমুদ্রতল থেকে উচ্চতা প্রায় ২৬২৫ ফুট। ভারতের ছোট শৈল শহরগুলির মধ্যে এটি একটি এবং এটি এশিয়ার একমাত্র অটোমোবাইল বর্জিত হিল ষ্টেশন। ২০০৫ সালে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার এই এলাকাকে ইকো জোন ঘোষণা করায় এখানে কোনোও গাড়ি চলাচল করে না। অনেকেই একে " ফুলরানী "ও বলে। আদি বম্বের ইংরেজরা যখন গরমের চোটে হা! ঈশ্বর, হা! ঈশ্বর করত, তখন তাদের এই মাথেরানে আনা হত। এই উঁচুতে এসে ওরা স্বস্তি পেতেন যা এখনও পাওয়া যায়। তাইতো একটা ছোট্ট ছুটি কাটাতে দূর দূর থেকে মানুষ মাথেরানে ভিড় জমান। কিন্তু কোনো হাঁসফাঁস নেই।  নেই কোনো দূষণ বা কোনো অস্বস্তি, কারন কোনো গাড়ি ঢোকা বারন। প্রায় ইউরোপীয় কিছু শহরদের মতো। যাঁরা কোথায় বেড়াতে যাবার কথা শুনলে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করেন যে সেখানে কি কি দেখার আছে, মাথেরান ...