রঘুরাজপুর, পটচিত্রের গ্রাম, পুরী।
পটচিত্রের গ্রাম রঘুরাজপুর। উড়িষ্যার পুরী জেলার এই গ্রাম কলা ভাস্কর্যের একটি পীঠস্থান। পটচিত্র শিল্পের একটি ধরন যা খৃষ্টপূব' ৫ সাল থেকে এই অঞ্চলে প্রচলিত। গ্রামটিতে ১৪২ টির মত পরিবার এবং দুটি রাস্তা আছে। ঘরগুলোর দেওয়াল, দেওয়াল চিত্র দিয়ে সাজানো। এখানে শিল্পীরা পটচিত্র তৈরির পাশাপাশি ঐতিহ্য বাহী মুখোশ, পাথরের দেব দেবী, কাগজের মন্ড, ভাস্কর্য, কাঠের পুতুল তৈরি করেন।
পুরী থেকে মাত্র ১৪ কি মি দূরে এই ছোট্ট গ্রাম। পুরীর এত কাছাকাছি হয়েও এখনো অনেকটাই অজানা , অচেনা। রঘুরাজপুর এমনই এক গ্রাম যেখানে প্রতিটি পরিবার কোনো না কোনো হস্তশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এক কথায় শিল্প প্রেমীর সরগ' বলা যায়। পটট্ অর্থাৎ বস্ত্র এবং চিত্র অর্থাৎ ছবি , সোজা কথায় কাপড়ের ওপর আঁকা ছবি।
পূরীতে জগন্নাথ দেবের প্রধান দুটি উৎসব হলো স্নান যাত্রা এবং রথ যাত্রা। স্নান যাত্রার সময় জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে ১০৮ ঘড়ার জলে স্নান করানো হয়। এর ফলে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তখন তাঁদের দর্শন পাওয়া যায় না। আবার রথযাত্রার সময় তাঁরা মাসির বাড়ি যান। তখনো তাঁরা মন্দিরে থাকেন না। এই সময় সব'সাধারনের দর্শনের জন্য জগন্নাথ দেবের পরিধেয় বস্ত্রের ওপর তাঁদের তিন ভাই বোনের ছবি আঁকার প্রচলন হয়, কালক্রমে যা পটচিত্র নামে বিখ্যাত হয়।
পটচিত্র আঁকা হয় তসর বা অন্য কোনো কাপড়ে। পটচিত্র আঁকার জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করা হয়। যেমন শাখের গুরো থেকে, কেরোসিন তেলের ল্যমপের পড়া কালি থেকে, নানা রকম পাথরের গুরো থেকে ও নানারকম শাকসবজি থেকে তৈরি রং এঁরা ব্যবহার করেন। আগেকার দিনে শিল্পীরা স্কেল, কম্পাস কিছুই ব্যবহার করতেন না। তবে এখন এসব ব্যবহারের চল হয়েছে। পটচিত্রে আঁকার বিষয় বস্তু জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা ছাড়াও বিষুর দশ অবতার , রামায়ণ, মহাভারত এবং পূরানের নানান ঘটনা যেন এখানে জীবন্ত হয়ে উঠেছে শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায়। কাপড়ের ওপর ছাড়াও শুকনো তালপাতার ওপর আঁকা হয়।
রঘুরাজপুরের শিল্পীরা বংশানুক্রমিকে এই কাজ করে আসছেন। তাই কোনো কোনো শিল্পীর ঘরে সত্তর, আশি বছরের পুরোনো পটচিত্র দেখতে পাওয়া যায়। শিল্পীরা নারকেল ছোবড়া দিয়ে নানা রকম জিনিস তৈরি করে, সুপারির ওপর রং করে সুন্দর ছবি আঁকে, ফেলে দেওয়া নারকেলর মালাকে জোড়া লাগিয়ে তাতে নানা সুন্দর ছবি নকশা এঁকে ঝোলানোর ব্যবসথা করে।
বিখ্যাত ওড়িষি নৃত্য গুরু ও প্রচারক কেলুচরণ মহাপাত্রের জন্ম স্থান এই গ্রাম। পুরীতে সারাবছর ভ্রমনারথী আসলেও এখানে খুব কম লোকই আসেন। যাঁরা আসেন তাঁদের মধ্যে বিদেশিই বেশি। ১৯৯৮ সালে Indian National Trust for Art and Cultural Heritage ( INTACH ) দু বছর ধরে এই গ্রামের ওপর সমিখ্যআ চালায় এবং তার পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন বিভাগ রঘুরাজপুরকে " হেরিটেজ ভিলেজ " নাম দেয় এই গ্রামের কলা ও ভাস্কর্যের বিভিন্ন কীর্তি দেখে। ভুবনেশ্বর থেকে রঘুরাজপুর N H 203 ধরে গেলে প্রায় ৫২ কি মি।
পুরী থেকে মাত্র ১৪ কি মি দূরে এই ছোট্ট গ্রাম। পুরীর এত কাছাকাছি হয়েও এখনো অনেকটাই অজানা , অচেনা। রঘুরাজপুর এমনই এক গ্রাম যেখানে প্রতিটি পরিবার কোনো না কোনো হস্তশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এক কথায় শিল্প প্রেমীর সরগ' বলা যায়। পটট্ অর্থাৎ বস্ত্র এবং চিত্র অর্থাৎ ছবি , সোজা কথায় কাপড়ের ওপর আঁকা ছবি।
পূরীতে জগন্নাথ দেবের প্রধান দুটি উৎসব হলো স্নান যাত্রা এবং রথ যাত্রা। স্নান যাত্রার সময় জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে ১০৮ ঘড়ার জলে স্নান করানো হয়। এর ফলে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তখন তাঁদের দর্শন পাওয়া যায় না। আবার রথযাত্রার সময় তাঁরা মাসির বাড়ি যান। তখনো তাঁরা মন্দিরে থাকেন না। এই সময় সব'সাধারনের দর্শনের জন্য জগন্নাথ দেবের পরিধেয় বস্ত্রের ওপর তাঁদের তিন ভাই বোনের ছবি আঁকার প্রচলন হয়, কালক্রমে যা পটচিত্র নামে বিখ্যাত হয়।
পটচিত্র আঁকা হয় তসর বা অন্য কোনো কাপড়ে। পটচিত্র আঁকার জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করা হয়। যেমন শাখের গুরো থেকে, কেরোসিন তেলের ল্যমপের পড়া কালি থেকে, নানা রকম পাথরের গুরো থেকে ও নানারকম শাকসবজি থেকে তৈরি রং এঁরা ব্যবহার করেন। আগেকার দিনে শিল্পীরা স্কেল, কম্পাস কিছুই ব্যবহার করতেন না। তবে এখন এসব ব্যবহারের চল হয়েছে। পটচিত্রে আঁকার বিষয় বস্তু জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা ছাড়াও বিষুর দশ অবতার , রামায়ণ, মহাভারত এবং পূরানের নানান ঘটনা যেন এখানে জীবন্ত হয়ে উঠেছে শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায়। কাপড়ের ওপর ছাড়াও শুকনো তালপাতার ওপর আঁকা হয়।
রঘুরাজপুরের শিল্পীরা বংশানুক্রমিকে এই কাজ করে আসছেন। তাই কোনো কোনো শিল্পীর ঘরে সত্তর, আশি বছরের পুরোনো পটচিত্র দেখতে পাওয়া যায়। শিল্পীরা নারকেল ছোবড়া দিয়ে নানা রকম জিনিস তৈরি করে, সুপারির ওপর রং করে সুন্দর ছবি আঁকে, ফেলে দেওয়া নারকেলর মালাকে জোড়া লাগিয়ে তাতে নানা সুন্দর ছবি নকশা এঁকে ঝোলানোর ব্যবসথা করে।
বিখ্যাত ওড়িষি নৃত্য গুরু ও প্রচারক কেলুচরণ মহাপাত্রের জন্ম স্থান এই গ্রাম। পুরীতে সারাবছর ভ্রমনারথী আসলেও এখানে খুব কম লোকই আসেন। যাঁরা আসেন তাঁদের মধ্যে বিদেশিই বেশি। ১৯৯৮ সালে Indian National Trust for Art and Cultural Heritage ( INTACH ) দু বছর ধরে এই গ্রামের ওপর সমিখ্যআ চালায় এবং তার পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন বিভাগ রঘুরাজপুরকে " হেরিটেজ ভিলেজ " নাম দেয় এই গ্রামের কলা ও ভাস্কর্যের বিভিন্ন কীর্তি দেখে। ভুবনেশ্বর থেকে রঘুরাজপুর N H 203 ধরে গেলে প্রায় ৫২ কি মি।
















Comments
Post a Comment